• ঢাকা
  • সোমবার, 2 November 2026, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: 2 September, 2026
সর্বশেষ আপডেট : 2 September, 2026

ফেসওয়াশ নাকি ক্লিনজার—ত্বকের জন্য কোনটি বেশি উপকারী?

অনলাইন ডেস্ক
ফেসওয়াশ আর ক্লিনজার কি একই জিনিস? ছবি: সংগৃহীত

সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা বাইরে থেকে ফিরে মুখ পরিষ্কার করতে ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন অনেকেই। আবার নিয়মিত স্কিনকেয়ার রুটিনে ফেস ক্লিনজারও রাখেন অনেকে। তবে ফেসওয়াশ ও ক্লিনজার কি একই ধরনের পণ্য? মূলত দুটিই ত্বক পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত হলেও ফর্মুলা ও কার্যকারিতায় রয়েছে পার্থক্য।

ত্বকের ধরন না বুঝে ভুল পণ্য ব্যবহার করলে মুখ ধোয়ার পর অতিরিক্ত শুষ্কতা, টানটান ভাব কিংবা জ্বালাপোড়া হতে পারে। তাই নিজের ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লিনজিং পণ্য বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

তৈলাক্ত ত্বকে ফেসওয়াশ

ফেসওয়াশ সাধারণত পানি বা জেলভিত্তিক হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে ফোম তৈরি করে। এগুলো ত্বকের অতিরিক্ত তেল, ঘাম ও জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারে কার্যকর। তৈলাক্ত, মিশ্র ও ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য ত্বক উপযোগী মৃদু ফেসওয়াশ ভালো বিকল্প হতে পারে।

তবে অতিরিক্ত শক্তিশালী ‘ডিপ ক্লিনজিং’ ফেসওয়াশ বারবার ব্যবহার করলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে শুষ্কতা ও জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে।

শুষ্ক ত্বকে ক্লিনজার

ফেস ক্লিনজার সাধারণত ক্রিম, মিল্ক, অয়েল বা বাম ধরনের ফর্মুলায় পাওয়া যায়। এগুলো ত্বক পরিষ্কারের পাশাপাশি স্বাভাবিক আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। শুষ্ক ও সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে মৃদু ক্লিনজার অনেকের জন্য বেশি আরামদায়ক হতে পারে।

মুখ ধোয়ার পর যদি ত্বক নিয়মিত টানটান বা শুষ্ক লাগে, তাহলে শক্তিশালী ফেসওয়াশের পরিবর্তে মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করে দেখা যেতে পারে।

প্রয়োজন হলে করা যায় ডাবল ক্লিনজিং

ফেস ক্লিনজার ও ফেসওয়াশ প্রয়োজন অনুযায়ী একসঙ্গে ব্যবহার করা যায়। এ পদ্ধতিকে বলা হয় ‘ডাবল ক্লিনজিং’। সাধারণত প্রথমে অয়েল ক্লিনজার দিয়ে মেকআপ, সানস্ক্রিন ও তেলজাতীয় ময়লা পরিষ্কার করা হয়। এরপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী মৃদু ফেসওয়াশ ব্যবহার করা যায়।

তবে সবার প্রতিদিন ডাবল ক্লিনজিং করার প্রয়োজন নেই। বিশেষ করে শুষ্ক বা সংবেদনশীল ত্বকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বারবার মুখ পরিষ্কার করলে শুষ্কতা ও সংবেদনশীলতা বাড়তে পারে।

ত্বকের ধরন বুঝে পণ্য বেছে নিন

তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে মৃদু জেল বা ফোমিং ফেসওয়াশ ব্যবহার করা যেতে পারে। আর শুষ্ক বা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ক্রিম বা মিল্কভিত্তিক মৃদু ক্লিনজার উপযোগী হতে পারে। অ্যালকোহল বা অতিরিক্ত সুগন্ধিযুক্ত পণ্য ব্যবহারে ত্বকে জ্বালাপোড়া হলে সেগুলো এড়িয়ে চলা ভালো।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কোন পণ্য ব্যবহার করলে ত্বকে আরাম থাকে এবং শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া বা অতিরিক্ত তৈলাক্ততা তৈরি হয় না, সেটি খেয়াল করা। প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে ও রাতে আলাদা ধরনের ক্লিনজিং পণ্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।

ফিন্যান্সিয়াল বার্তা/এইচ

আরও পড়ুন